নিষেধাজ্ঞা মানছেই না জেলেরা; মৎস অফিসারের আফসোস | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার গঠনে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে: এবিএম মোশাররফ হোসেন গলাচিপায় নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু ক্ষুদ্র জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির ১২তম বার্ষিক সভা
নিষেধাজ্ঞা মানছেই না জেলেরা; মৎস অফিসারের আফসোস

নিষেধাজ্ঞা মানছেই না জেলেরা; মৎস অফিসারের আফসোস

উত্তম কুমার, বাউফল: এখন চলছে ইলিশের প্রজনন মৌসুম, এসময় নদীর অভয়াশ্রমে ডিম ছাড়ে মা ইলিশ৷ তাই জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষার স্বার্থে নদী ও সাগরে এই সময়ে সকল ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়৷ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল জরিমানার বিধানও রয়েছে। তবে বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর চল্লিশ কিলোমিটার এলাজার চিত্র ভিন্ন। দিনের আলোয় প্রকাশ্যেই অবাধে মা ইলিশ শিকার করছেন অসাধু জেলেরা। প্রতিদিন তাদের জালে ধরা দিচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে মা ইলিশ। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানতেই চায় না অসাধু জেলেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে ইলিশ ধরার ফলে ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধি ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। যারফলে সারাবছর বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ইলিশ পাওয়া যায় না। যখন থাকে বেশি চাহিদার কারণে দামও বেড়ে যায়।

১৩ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা জারির দিন থেকে ২০ অক্টোবর তেঁতুলিয়া নদীতে সরেজমিন দেখা যায়, নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অর্ধশত নৌকা নিয়ে অসাধু জেলেরা অবাধে মাছ শিকার করছে। তাদের জালে ওঠা অধিকাংশই মা ইলিশ। প্রতিদিন বিভিন্ন সময় নদীতে ঘুরলেও সাংবাদিকদের সাথে প্রশাসনের কারোর দেখা হয়নি।

মৎস বিভাগের অভিযানের তথ্যানুযায়ী- গত ১৩ অক্টোবর থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত সাত দিনে এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক কুমার কুন্ডু তিনটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন এবং উপজেলা মৎস অফিসের ১৮টি অভিযানে সহযোগিতা করেছেন। অভিযানে ১৯টি মামলা করা হয়েছে এবং ১৯ জেলে গ্রেফতার হয়েছে৷ এসময় ০.৯২ ম্যাট্রিক টন ইলিশ, ৩ হাজার ৪’শ ৬৫ মিটার জাল ও চারটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

নদীর অভয়ারণ্য মা ইলিশের জন্য সুরক্ষিত রাখতে না পারার ব্যর্থতা স্বীকার করেছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার। তিনি বলেন, ‘চেষ্টাতো করি কিন্তু! দেখি কি করা যায় আর। বুঝতেছি না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ট্রলার লাগে মূলত ৬ টা। তাহলে হয়তো অসাধু জেলেদের দমিয়ে রাখা যায়।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন,’অভিযান সফল করা লক্ষ্যে একজন ট্যাগ অফিসার ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলেও জানানা তিনি।

প্রসঙ্গত, ‘প্রতিবছর এসময় তেঁতুলিয়া নদীতে সকল ধরনের মাছ নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তির সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!